ডাক্তার যখন সিটি স্ক্যান করতে বলেন, তখন রোগী ও তার পরিবারের মনে সবার আগে একটাই প্রশ্ন আসে — সিটি স্ক্যান খরচ কত? এরপর আসে আরও অনেক প্রশ্ন: কেন এই পরীক্ষা দরকার, কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন, এবং রিপোর্ট পেতে কতদিন লাগবে। এই আর্টিকেলে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সিটি স্ক্যান সম্পর্কিত সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আপডেটেড মূল্য তালিকাসহ বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হলো।
সিটি স্ক্যান কী? (Computerized Tomography পরিচিতি)
সিটি স্ক্যান (CT Scan), যার পূর্ণ নাম Computerized Tomography, একটি উন্নত মেডিকেল ইমেজিং পদ্ধতি। এতে একাধিক কোণ থেকে নেওয়া এক্স-রে চিত্রকে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে একত্রিত করে শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্রস-সেকশনাল (Cross-sectional) ছবি তৈরি করা হয়।
সাধারণ এক্স-রে যেখানে কেবল একটি সমতল চিত্র দেয়, সেখানে সিটি স্ক্যান হাড়, রক্তনালী, নরম টিস্যু, এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গের অত্যন্ত বিস্তারিত ত্রিমাত্রিক ছবি প্রদান করতে পারে। এই উচ্চমাত্রার ডায়াগনস্টিক অ্যাকিউরেসি (diagnostic accuracy) চিকিৎসকদের জটিল রোগ নির্ণয়ে অপরিহার্য হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Table of Contents
সিটি স্ক্যান কেন করা হয়? (৬টি প্রধান কারণ)
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা (specialist consultation) বিভিন্ন ক্লিনিক্যাল পরিস্থিতিতে সিটি স্ক্যানের পরামর্শ দিয়ে থাকেন:

১. রোগ নির্ণয় (Disease Diagnosis): অব্যাখ্যাত শারীরিক লক্ষণ, যেমন দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা, পেটে ব্যথা, বা শ্বাসকষ্টের কারণ চিহ্নিত করতে সিটি স্ক্যান ব্যবহার করা হয়। অন্যান্য ইমেজিং পরীক্ষায় অনিশ্চিত ফলাফল পাওয়া গেলেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
২. টিউমার ও ক্যান্সার সনাক্তকরণ: শরীরের যেকোনো অংশে টিউমার, সিস্ট, বা অস্বাভাবিক পিণ্ডের অবস্থান, আকার, এবং বিস্তার নির্ণয়ে সিটি স্ক্যানের ভূমিকা অপরিসীম। এটি অনকোলজি বিভাগে ক্যান্সার স্টেজিং (cancer staging) এবং ট্রিটমেন্ট প্রোটোকল (treatment protocol) নির্ধারণেও ব্যবহৃত হয়।
৩. ট্রমা ও আঘাত মূল্যায়ন: দুর্ঘটনায় আঘাতের পর অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ, হাড় ভাঙা, বা অঙ্গে আঘাত আছে কিনা তা দ্রুত নির্ণয়ের জন্য ইমার্জেন্সি বিভাগে সিটি স্ক্যান প্রায়ই অপরিহার্য।
৪. চিকিৎসার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ (Monitoring): কোনো রোগের চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে, বিশেষত কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপির পর, চিকিৎসার কার্যকারিতা মূল্যায়ন করতে চিকিৎসকরা পর্যায়ক্রমিক সিটি স্ক্যান করতে বলেন।
৫. অস্ত্রোপচার পরিকল্পনা: যেকোনো জটিল অপারেশনের আগে সার্জন সিটি স্ক্যান থেকে প্রাপ্ত বিস্তারিত অ্যানাটমিক্যাল মানচিত্র ব্যবহার করে নিরাপদ ও কার্যকর অস্ত্রোপচার পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন।
৬. ভাস্কুলার ও হৃদরোগ নির্ণয়: CT Angiography-র মাধ্যমে রক্তনালীর সংকীর্ণতা, ব্লকেজ, বা অ্যানিউরিজম শনাক্ত করা হয়। এটি কার্ডিয়াক ক্লিনিক্যাল ইভ্যালুয়েশন (clinical evaluation)-এ একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।
READ MORE: এমআরআই (MRI) টেস্ট কী এবং কেন করা হয় — বাংলাদেশে খরচ ও সম্পূর্ণ গাইড
বাংলাদেশে সিটি স্ক্যান খরচ কত? (২০২৬ আপডেট)
বাংলাদেশে সিটি স্ক্যানের খরচ নির্ভর করে মূলত তিনটি বিষয়ের উপর: (১) কোন অঙ্গ বা অংশের স্ক্যান করা হচ্ছে, (২) কনট্রাস্ট ব্যবহার হচ্ছে কিনা, এবং (৩) কোন প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা করানো হচ্ছে। সাধারণত ঢাকার বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে খরচ সর্বোচ্চ থাকে।
দ্রুত উত্তর: বাংলাদেশে সাধারণ সিটি স্ক্যানের খরচ প্রায় ৩,০০০ টাকা থেকে শুরু হয়ে ২২,০০০ টাকা বা তার বেশি পর্যন্ত হতে পারে, পরীক্ষার ধরন এবং প্রতিষ্ঠানের উপর নির্ভর করে।
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সিটি স্ক্যান খরচ (২০২৬)
নিচে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের হেড অফিস-ভিত্তিক সর্বশেষ মূল্য তালিকা দেওয়া হলো। (শেষ আপডেট: মার্চ ২০২৬)
| পরীক্ষার নাম (Test Name) | মূল্য (BDT) |
|---|---|
| CBCT Scan of Upper Jaw | ৳ ৩,৫০০ |
| CBCT Scan of Upper Left / Right Quadrant | ৳ ৩,০০০ |
| Child CT of Whole Abdomen | ৳ ১০,০০০ |
| Child CT of K.U.B | ৳ ৯,০০০ |
| CT Angio of Brain | ৳ ১২,০০০ |
| CT Angio of Cardiac | ৳ ১৪,০০০ |
| CT Angio of Neck & Brain + Perfusion | ৳ ২২,০০০ |
| CT Angio + Perfusion | ৳ ১৫,০০০ |
| CT Angio of Liver / Three Phase | ৳ ১৬,০০০ |
| CT Angio of Renal / Aortogram | ৳ ১৬,০০০ |
| CT Angio of Peripheral Limbs (Upper/Lower) | ৳ ১৬,০০০ |
| CT Angio of Pulmonary Vessel | ৳ ১৬,০০০ |
| CT Cisternography | ৳ ১২,০০০ |
| CT Enterography | ৳ ১৫,০০০ |
| CT Guided Core Biopsy | ৳ ৫,০০০ |
| CT Guided FNAC | ৳ ৪,০০০ |
| CT CSF Rhinorrhea (PNS + T2 MRI) | ৳ ১০,০০০ |
দ্রষ্টব্য: উপরের তালিকায় কেবল কিছু নির্বাচিত পরীক্ষার দাম উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যান্য ধরনের সিটি স্ক্যানের মূল্য জানতে সরাসরি শাখায় যোগাযোগ করুন বা টেস্ট প্রাইস চেকার ব্যবহার করুন। সময়ভেদে মূল্য পরিবর্তন হতে পারে।
মাথার সিটি স্ক্যান খরচ কত?
মাথার সিটি স্ক্যান (CT of Brain বা CT Head) বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি অনুরোধকৃত সিটি স্ক্যানগুলোর একটি। স্ট্রোক, মাথায় আঘাত, বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ সন্দেহ হলে জরুরি ভিত্তিতে এই পরীক্ষা করা হয়।
- বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মাথার সিটি স্ক্যান (without contrast): ৩,৫০০ – ৬,০০০ টাকা
- CT Angio of Brain (with contrast): ১২,০০০ – ১৮,০০০ টাকা
- বিভিন্ন শাখা ও প্রতিষ্ঠানভেদে মূল্যে পার্থক্য হতে পারে
কিডনি সিটি স্ক্যান খরচ কত?
কিডনিতে পাথর, সিস্ট, বা কিডনির গঠনগত অস্বাভাবিকতা নির্ণয়ে CT of KUB (Kidney, Ureter, Bladder) বা CT Urogram পরীক্ষা দেওয়া হয়।
- CT of KUB (শিশু): ৯,০০০ টাকা (পপুলার ডায়াগনস্টিক)
- প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য খরচ প্রতিষ্ঠান ও কনট্রাস্ট ব্যবহারের উপর নির্ভর করে
সরকারি হাসপাতালে সিটি স্ক্যান খরচ
সরকারি হাসপাতালে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তুলনায় সিটি স্ক্যানের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কম। নিচে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ জাতীয় পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালের সরকার-নির্ধারিত একটি প্রামাণিক মূল্যকাঠামো দেওয়া হলো:
| পরীক্ষার নাম | আনুমানিক মূল্য (BDT) |
|---|---|
| Spiral CT Scan of Brain | ৳ ৫,০০০ |
| Spiral CT Scan of Neck | ৳ ৭,০০০ |
| CT Scan of Whole Abdomen | ৳ ৪,০০০ |
| CT Scan of Chest (with contrast) | ৳ ২,৫০০ |
| CT Angiogram of Brain | ৳ ৪,০০০ |
| CT Scan of Orbit / Sinus | ৳ ২,০০০ |
| CT Scan of Whole Spine | ৳ ৪,০০০ |
এই মূল্যতালিকা আনুমানিক এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। পরীক্ষা করানোর আগে সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে সর্বশেষ মূল্য নিশ্চিত করে নেওয়া উচিত।
সিটি স্ক্যান করতে কত সময় লাগে?

পরীক্ষার ধরনের উপর নির্ভর করে, একটি সিটি স্ক্যান সাধারণত ১৫ থেকে ৪৫ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন হয়। কনট্রাস্ট ব্যবহার করা হলে প্রস্তুতি এবং পর্যবেক্ষণের জন্য কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে। CT Angiography বা জটিল মাল্টি-ফেজ পরীক্ষায় সময় আরো বেশি হতে পারে।
সিটি স্ক্যান রিপোর্ট পেতে কত সময় লাগে?
বাংলাদেশে সিটি স্ক্যান রিপোর্ট প্রদানের সময় প্রতিষ্ঠান ও কাজের চাপের উপর নির্ভর করে। সাধারণভাবে:
- সাধারণ পরীক্ষা: ১–২ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট পাওয়া যায়
- জটিল পরীক্ষা (CT Angio, Multi-Phase): ২–৩ কার্যদিবস লাগতে পারে
- জরুরি পরিস্থিতি: অনেক প্রতিষ্ঠান ঘণ্টার মধ্যে জরুরি রিপোর্ট প্রদানের সুবিধা দেয়, তবে অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে
রিপোর্ট সংগ্রহের নির্দিষ্ট সময়সূচি ভর্তির সময়ই জেনে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
সিটি স্ক্যান করার আগের প্রস্তুতি ও সতর্কতা
সঠিক প্রস্তুতি ডায়াগনস্টিক অ্যাকিউরেসি বৃদ্ধি করে এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি কমায়। পরীক্ষার আগে নিচের বিষয়গুলো অনুসরণ করুন:
ওষুধ সম্পর্কে চিকিৎসককে জানান: নিয়মিত সেবনকৃত যেকোনো ওষুধ, বিশেষত ডায়াবেটিসের ওষুধ মেটফর্মিন (Metformin), রক্ত পাতলা করার ওষুধ, বা থাইরয়েডের ওষুধ সম্পর্কে চিকিৎসককে আগেই জানাতে হবে। কনট্রাস্ট ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু ওষুধ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার প্রয়োজন হতে পারে।
অ্যালার্জির ইতিহাস জানান: আয়োডিনযুক্ত কনট্রাস্ট ডাই ব্যবহার করা হলে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে। পূর্বে কনট্রাস্টে বা অন্য কোনো ওষুধে অ্যালার্জি থাকলে তা অবশ্যই মেডিকেল টিমকে জানাতে হবে।
পোশাক ও গহনা: পরীক্ষার দিন ধাতব জিনিস (চেইন, কানের দুল, বেল্ট বাকল) ছাড়া ঢিলেঢালা পোশাক পরা উচিত। অনেক প্রতিষ্ঠানে হাসপাতালের গাউন পরিধান বাধ্যতামূলক।
কনট্রাস্ট প্রস্তুতি: কনট্রাস্ট সিটি স্ক্যানের জন্য সাধারণত পরীক্ষার ৪–৬ ঘণ্টা আগে থেকে কিছু না খাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে পানি পান করা সাধারণত অনুমোদিত।
গর্ভাবস্থা ও কিডনি রোগ: গর্ভবতী মহিলা বা কিডনির সমস্যা (ক্রিয়েটিনিন স্তর বৃদ্ধি) থাকলে সিটি স্ক্যান এবং বিশেষত কনট্রাস্ট ব্যবহার করার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ (specialist consultation) অপরিহার্য।
কনট্রাস্ট সিটি স্ক্যান কি এবং কখন প্রয়োজন?
কনট্রাস্ট সিটি স্ক্যানে একটি বিশেষ আয়োডিনযুক্ত তরল (contrast dye) শিরায় ইনজেকশন বা মুখে পান করানো হয়। এটি রক্তনালী, টিউমার, বা প্রদাহের অঞ্চলকে স্ক্যান চিত্রে আরো স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান করে তোলে।
নিম্নলিখিত ক্লিনিক্যাল পরিস্থিতিতে সাধারণত কনট্রাস্ট ব্যবহার করা হয়:
- CT Angiography (রক্তনালী পরীক্ষা)
- টিউমার বা ক্যান্সারের স্টেজিং
- লিভার, কিডনি বা অগ্ন্যাশয়ের বিস্তারিত মূল্যায়ন
- সংক্রমণ বা ফোড়ার অবস্থান নির্ণয়
কনট্রাস্ট ব্যবহারে খরচ কিছুটা বেশি হয় এবং health insurance coverage থাকলে এটি অন্তর্ভুক্ত আছে কিনা আগেই যাচাই করা উচিত।
উপসংহার
সিটি স্ক্যান একটি অত্যন্ত কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা। তবে সর্বোত্তম ফলাফলের জন্য সবসময় একটি উন্নতমানের মেশিনসম্পন্ন এবং অভিজ্ঞ রেডিওলজিস্ট-পরিচালিত প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা করানো উচিত। খরচ সাশ্রয়ের জন্য অনুমোদনহীন বা স্বল্পমানের প্রতিষ্ঠান বেছে নিলে ডায়াগনস্টিক ত্রুটির ঝুঁকি থাকে, যা পরবর্তী চিকিৎসা পরিকল্পনাকে জটিল করে তুলতে পারে।
পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে ক্লিনিক্যাল ইভ্যালুয়েশন করিয়ে নেওয়া উচিত, কারণ সিটি স্ক্যান রিপোর্টের সঠিক ব্যাখ্যা কেবল প্রশিক্ষিত চিকিৎসকই দিতে পারেন।
FAQ
Q: সিটি স্ক্যান খরচ কত বাংলাদেশে ২০২৬?
A: বাংলাদেশে সিটি স্ক্যানের খরচ পরীক্ষার ধরন ও প্রতিষ্ঠানভেদে আলাদা। বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সাধারণ সিটি স্ক্যানের খরচ সাধারণত ৩,০০০ থেকে ২২,০০০ টাকার মধ্যে। পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে CT Angio of Brain-এর খরচ ১২,০০০ টাকা এবং CT Angio of Neck & Brain + Perfusion-এর খরচ ২২,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
Q: সরকারি হাসপাতালে সিটি স্ক্যান খরচ কত?
A: সরকারি হাসপাতালে সিটি স্ক্যানের খরচ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। সাধারণত মাথার সিটি স্ক্যান ৫,০০০ টাকা, পুরো পেটের সিটি স্ক্যান ৪,০০০ টাকা এবং চেস্ট সিটি স্ক্যান (কনট্রাস্টসহ) প্রায় ২,৫০০ টাকায় করা সম্ভব। তবে ভর্তির সময় সর্বশেষ মূল্য নিশ্চিত করে নেওয়া উচিত।
Q: মাথার সিটি স্ক্যান করতে কত টাকা লাগে?
A: ঢাকার বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মাথার সাধারণ সিটি স্ক্যান (without contrast) সাধারণত ৩,৫০০ থেকে ৬,০০০ টাকার মধ্যে হয়। CT Angiography of Brain (রক্তনালীর বিস্তারিত পরীক্ষা) করাতে ১২,০০০ থেকে ১৮,০০০ টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে।
Q: সিটি স্ক্যান রিপোর্ট পেতে কত সময় লাগে?
A: বাংলাদেশে সিটি স্ক্যান রিপোর্ট সাধারণত ১ থেকে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে পাওয়া যায়। জটিল CT Angiography বা মাল্টি-ফেজ পরীক্ষার ক্ষেত্রে ২–৩ দিন সময় লাগতে পারে। জরুরি পরিস্থিতিতে অনেক প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত ফি-তে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট প্রদান করে।
নতুন কিছু শিখতে চাই এবং সেখাতে চাই । অনভিজ্ঞও থেকে আপনিও হয়ে উঠুন অভিজ্ঞ।